জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের মন্তব্য করেছেন, ক্ষমতায় থেকে রাজনৈতিক দল গঠন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বিষয়টি আর জনগণ গ্রহণ করতে রাজি নয়। তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে, যদি কোন দল ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়, তবে সেটা সরকারের নিরপেক্ষতার দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে এবং নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করবে।
শনিবার দুপুরে, জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন তিনি। সভার সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক (চুন্নু)।
জি এম কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, সরকার ছাত্রদের সমন্বয়কদের মনোনয়ন দিয়ে গঠিত হয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারও ছাত্রদের দল গঠনে সহায়তা করছে। তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে, যেসব ব্যক্তি নির্বাচন বা রাজনৈতিক দল গঠনে সক্রিয় হতে চান, তাঁদের যদি পদত্যাগ করার পরও সরকারি সাহায্য না পাওয়া যায়, তবে সেটা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য হবে?”
তিনি ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে বলেন, “প্রত্যেক নাগরিকেরই রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার আছে। তাদের মতাদর্শ প্রকাশ করে জনগণের রায় চাওয়ার অধিকার রয়েছে, এতে আপত্তির কিছু নেই। আমি তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং আশা করছি, নতুন প্রজন্মের তরুণরা দেশ ও জাতির জন্য ভালো কিছু করবে।”
জি এম কাদের আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতার দাবি জনগণের কাছে কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য হবে, সে ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের জনগণ চায় নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ এবং কোন বিশেষ দল যেন সরকারি অর্থ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করতে না পারে। জনগণ এই ধরনের নিশ্চয়তা চায়।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত মহাসচিব লিয়াকত হোসেন (খোকা), প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, দপ্তর সম্পাদক-২ এম এ রাজ্জাক খান এবং যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক সমরেশ মণ্ডল প্রমুখ।

তাদেরকে আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে। এবং আশা করছি নতুন প্রজন্মের তরুণরা দেশকে সুরক্ষিত রাখলে এবং দেশের মানুষের জন্য ভালো কিছু করবে। বর্তমানে দেশের জনগণ চাই নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ হোক আশা করি তা পূরণ হবে।