
রাত পোহালেই শুরু হতে যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা। শনিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাসব্যাপী এ বইমেলার উদ্বোধন করবেন। এবার বইমেলায় বিশেষ আকর্ষণ থাকবে ‘জুলাই চত্বর’, যেখানে তুলে ধরা হবে গণ-অভ্যুত্থানের চিত্র। এছাড়া এবারের মেলা হবে পলিথিনমুক্ত, পরিবেশবান্ধব।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে দেখা যায়, প্রস্তুতি তুঙ্গে। স্টল সাজানোর কাজে ব্যস্ত শ্রমিকরা, হাতে হাতুড়ি-পেরেক ও রং-তুলি নিয়ে কাজ করছেন। স্টলসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং মানসম্পন্ন বইয়ের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। প্রকাশকদের মতে, এবারের বইমেলা হবে বাণিজ্যিকভাবে আরও সফল।
এদিকে, নাশকতার শঙ্কা না থাকলেও মেলার নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক রয়েছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী মেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, পুরো এলাকাটি চব্বিশ ঘণ্টা বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকবে।

আমার বইমেলা অনেক অনেক ভালো লাগে। বিভিন্ন রকম বই বিভিন্ন রকমের পড়া বিভিন্ন জ্ঞানের কথা জানতে পারি শুধুমাত্র বইমেলায়। সঙ্গে লাইভেও আছে কিন্তু বইমেলা অনেক ভালো লাগে
আশা করছি বই মেলাটি খুব সুন্দর ভাবেই উদযাপিত হবে তাদের চেষ্টা সফল হোক এবং মানুষ যাতে তারা সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারে । যেখানে সুন্দর পরিবেশ গঠিত হয় সেখানে মানুষের ভিড়ও ভালোই দেখা যায়। নাশকতার সংখ্যা না থাকলেও খুশি হলাম যে পুলিশের উপস্থিত রয়েছে আশা করছি মেলায় কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা পরিবেশ সৃষ্টি হবে না এবং সুন্দরভাবে তা পালন হবে। ᰔ
বইমেলা বাঙালি এক অন্যরকম আবেগ এর জায়গা।
Boi melah geye boi porar anodho onno rokom