যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিনেই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে অভিবাসন, জ্বালানি নীতি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ওপর একগুচ্ছ নতুন নীতি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন।
গত রোববার ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি তার প্রথম দিনে “প্রায় ১০০” নির্বাহী আদেশে সই করবেন। এসব আদেশের মধ্যে অনেকগুলোই বাইডেন প্রশাসনের বাস্তবায়িত নীতিগুলো বাতিল বা উল্টে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ট্রাম্পের নীতি-বিষয়ক নতুন ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার রোববার বিকেলে রিপাবলিকান পার্টির সিনিয়র কংগ্রেস সদযদের সঙ্গে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। আলোচনায় ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের সারাংশ শেয়ার করা হয়েছে, তবে বিস্তারিত নীতিমালা নিয়ে আলোচনা হয়নি।
আজ সোমবার (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায়) ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। সাধারণত মার্কিন প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠান ক্যাপিটল হিলের সামনের খোলা জায়গয অনুষ্ঠিত হয়, তবে এবার তীব্র শীতের কারণে এটি হবে ক্যাপিটল ভবনের ভেতরে, ক্যাপিটল রোটুন্ডায়।
স্টিফেন মিলার আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, ট্রাম্পের প্রথম দিনের নির্বাহী আদেশে দীর্ঘ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন এবং অভিবাসন সম্পর্কিত পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পরিকল্পনাও রয়েছে। ট্রাম্প মাদক চোরাকারবারি গোষ্ঠীকে বিদেি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করবেন এবং তার প্রথম মেয়াদের “অভিবাসী সুরক্ষা প্রটোকল নীতি” পুনরায় কার্যকর করবেন, যা “রিমেইন ইন মেক্সিকো” নামে পরিচিত।
ট্রাম্প আরও কিছু অভিবাসন নীতিমালা পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করছেন, যেগুলো বাইডেন ২০২১ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর বাতিল করেছিলেন।
রোববার রাতে ট্রাম্প একটি দাতাদের নৈশভোজে বলেন, “ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আমি শতাধিক নির্বাহী আদেশে সই করব, যার অনেকগুলো আমি আগামীকাল (আজ) আমার ভাষণে উল্লেখ করব।” তিনি আরও বলেন, “কলমের এক খোঁচায় আমি বাইডেন প্রশাসনের ধ্বংসাত্মক নির্বাহী আদেশগুলো বাতিল করে দেব, এগুলো আর কার্যকর থাকবে না।”
তবে ট্রাম্পের প্রথম দিনের নির্বাহী আদেশগুলো আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে ধারণা কা হচ্ছে।